Dolphin-1Breaking News Enviornment 

নদীর ভারসাম্য রক্ষায় ডলফিন সংরক্ষণে উদ্যোগী কেন্দ্র

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : নদী ও সমুদ্রের ডলফিন সংরক্ষণে এবার এগিয়ে এল কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট ৭৪-তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ডলফিন সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্যই এবার দেশে ডলফিন সংরক্ষণ প্রকল্প শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রতে ডলফিন সংরক্ষণের জন্য ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (ডব্লুআইআই) অনেক বছর ধরেই কাজ করছে।

এদিন তিনি আরও জানান, বিহারের বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ও পাটনার ভাগলপুরে নদীর ডলফিন সংরক্ষণের কাজ করছে। অন্যদিকে ডব্লুআইআই ও রাজ্য বন দপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্রগড় ও বলাগড়ে ডলফিন বাঁচাতে সচেতনতার প্রচারও করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংগঠন ডব্লুডব্লুএফ-ও এই বিষয়ে অনেক কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে সবই হচ্ছে বিক্ষিপ্তভাবে। কেন্দ্রের নয়া প্রকল্পে পরিকল্পনা করে নদী ও সমুদ্রের ডলফিন বাঁচাতে এবার উদ্যোগী হচ্ছে মোদি সরকার। মন্ত্রক সূত্রে খবর, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড এবং রাজস্থান-সহ সংশ্লিষ্ট সব রাজ্য প্রশাসনকে নিয়ে একযোগে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা হবে।

এই প্রকল্পের ফলে নদীর জীব-বৈচিত্র অনেকটাই রক্ষা পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নদীকে ঘিরে ভ্রমণ বাড়লে, বাড়বে পর্যটনের দিশা। ফলে গ্রামীণ এলাকার কর্মসংস্থান বাড়বে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মত, নদীর জলে ডলফিনের উপস্থিতি থাকলে সেই নদীতে দূষণ কম হয়। পাশাপাশি ছোট-বড় মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ঠিক থাকে। এটা প্রকৃতির পক্ষে যেরকম ভাল, সেরকমই নদী নির্ভর মানুষের কাছেও সুখবর। তাই সার্বিকভাবে ডলফিন বাঁচানো ও তার সংখ্যা বৃদ্ধিতে এখন জোর দেওয়া হবে বলেই মন্ত্রক জানিয়েছে।

Related posts

Leave a Comment